1. sarabelasaykot@gmail.com : দৈনিক সারাবেলা : দৈনিক সারাবেলা
  2. info@www.dainiksarabela.online : দৈনিক সারাবেলা :
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বঙ্গাব্দের প্রবর্তন: ইতিহাস ও বিভ্রান্তি দূর করার প্রয়োজন, জনগণের নিরাপত্তাই পুলিশের প্রথম দায়িত্ব: আইজিপি ধামরাইয়ে সাইনবোর্ড ভাঙচুর, সীমানা খুঁটি উপড়ে ফেলে জমি দখলে নেওয়ার অভিযোগ, বেগমগঞ্জে বিএনপি আহ্বায়কের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ নেত্রকোণায় সীমান্তে অভিযান: মালিকবিহীন ১০২ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ কেরানীগঞ্জে নকল ওষুধ কারখানায় র‍্যাবের অভিযান: বিপুল ভেজাল ওষুধ জব্দ, গ্রেফতার ১ ঈদ শেষে ঘরমুখো মানুষের স্বস্তিতে গাজীপুরে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার ধামরাইয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন অকটেন সংকটে পিরোজপুর: ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা ৫ বছরে বদলে যাবে পিরোজপুর,বিএনপি-জামায়াতের যৌথ উদ্যোগে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নের প্রত্যাশা:- এমপি মাসুদ সাঈদী,

বঙ্গাব্দের প্রবর্তন: ইতিহাস ও বিভ্রান্তি দূর করার প্রয়োজন,

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলা সনের (বঙ্গাব্দ) প্রবর্তন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইতিহাসবিদদের মধ্যে ভিন্নমত থাকলেও, অধিকাংশ গবেষকের মতে মুঘল সম্রাট জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর-এর আমলেই এর কার্যকর প্রবর্তন ও সংস্কার সম্পন্ন হয়।
ঐতিহাসিক তথ্যমতে, ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে আকবর বাংলা সনের প্রবর্তনের আনুষ্ঠানিক নির্দেশ দেন। তবে এর গণনা কার্যকারিতা ধরা হয় ১৫৫৬ সাল থেকে—যে বছর তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন। আকবরের নির্দেশে তার দরবারের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজি হিজরি চান্দ্র বর্ষপঞ্জি ও সৌর বছরের সমন্বয়ে একটি নতুন সন প্রণয়ন করেন, যা “ফসলি সন” নামে পরিচিতি পায়।
এই সন প্রবর্তনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে খাজনা আদায় সহজ করা। হিজরি চান্দ্র সন অনুযায়ী বছর ছোট হওয়ায় কৃষি মৌসুমের সঙ্গে মিল না থাকায় রাজস্ব আদায়ে জটিলতা তৈরি হতো। নতুন সৌরভিত্তিক সন সেই সমস্যা দূর করে।
বাংলা সনের সূচনাবর্ষ নিয়ে জানা যায়, এটি মূলত ৫৯৩ বা ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে গণনা করা হয়। অর্থাৎ, খ্রিস্টাব্দ থেকে প্রায় ৫৯৩ বছর বিয়োগ করলে বঙ্গাব্দ নির্ণয় করা যায়।
তবে কিছু ঐতিহাসিকের মতে, বঙ্গাব্দের প্রাথমিক ধারণা আরও প্রাচীন। তারা দাবি করেন, সপ্তম শতাব্দীর গৌড়ের শাসক রাজা শশাঙ্ক প্রথম কোনো আঞ্চলিক বর্ষপঞ্জি চালু করেছিলেন। যদিও এ বিষয়ে নিশ্চিত প্রমাণ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। অধিকাংশ ইতিহাসবিদ মনে করেন, আকবরই বাংলা সনকে প্রশাসনিকভাবে প্রবর্তন ও জনপ্রিয় করেন।
বর্তমানে বাংলা বর্ষপঞ্জি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবহার হচ্ছে এবং পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ হিসেবে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় উদযাপিত হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট