1. sarabelasaykot@gmail.com : দৈনিক সারাবেলা : দৈনিক সারাবেলা
  2. info@www.dainiksarabela.online : দৈনিক সারাবেলা :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধামরাইয়ে পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা ও হামলার অভিযোগ, নেপথ্যে দালাল চক্রের হোতা ছলু বেপারী আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো ও গণহত্যা :- সাবেক এমপি সাইফুল সহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড, শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল দুর্নীতি–চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণাঃ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব বাধা অতিক্রমের অঙ্গীকার:- ড. শফিকুর রহমানের নয়াপাড়ায় ধানের শীষের গণজোয়ার: তমিজউদ্দিনের পক্ষে ঘরে ঘরে গণসংযোগ মুন্সীগঞ্জ-৩ এ শক্তি প্রদর্শন: ২০ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিনের শোডাউন, শেরপুরে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে রক্তক্ষয় সংঘর্ষ : জামাতের সেক্রেটারি নিহত, গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যের বিকল্প নেই:- গণসংযোগে ইঞ্জি. নাবিলা তাসনিদ, ধামরাইয়ে ইউপি সদস্যের ছেলের চুরির বিচার করায় প্রতিশোধমূলক হামলা, কুপিয়ে জখম তিনজন, ধানের শীষ জনগণের মুক্তির প্রতীক’—ধামরাইয়ে গণসংযোগে সুজন মাহমুদ

স্কুলের বারান্দায় যায়নি, হয়েছে ‘ডাক্তার’—রোগী দেখেন বৈদ্য কায়সার; মাসে আয় লাখ টাকা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি ঃ

কক্সবাজারের মহেশখালীর পানিরছড়া এলাকার মরাঝিরিপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে ‘বৈদ্য’ পরিচয়ে চিকিৎসা দেন মৃত রমিজ আহমেদের ছেলে কায়সার। স্কুলের বারান্দায় দাঁড়ানো অভিজ্ঞতাও নেই—তবুও আট বছর ধরে জিন তাড়ানো, জাদু–টোনা কাটানো, দাম্পত্য কলহ সমাধানসহ নানান ‘অদৃশ্য সমস্যার সমাধান’ করার দাবি করে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। গত চার বছর ধরে এলাকায় গড়ে তুলেছেন স্থায়ী আসনও।

সরেজমিনে দেখা যায়—দূরদূরান্ত থেকে মানুষের ভিড়, প্রতিদিনই ২০০–২৫০ রোগী। নেই নির্দিষ্ট ফি; পরিস্থিতি দেখে যা বলা হয়, রোগীদের সেটাই দিতে হয়। অভিযোগ আছে—শুধু আসনে প্রবেশের জন্যই কখনো নেওয়া হয় ১০০১ টাকা। কারও সামর্থ্য বেশি হলেই দাবি বাড়ে।

কায়সারের অধীনে কাজ করেন পাঁচজন হেল্পার, যাদের কেউই শিক্ষিত নন। প্রতেকের বেতন মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা। আছেন একজন মাওলানা, যার দায়িত্ব তাবিজ লেখা। কায়সারের দাবি—প্রতিমাসে তার আয় দেড় লাখ টাকার কম নয়। তবে এসব লেনদেনের কোনো বৈধ নথি নেই; নেই প্রশাসনের কোনো অনুমোদনও।

‘আসনঘরে’ ঢুকতেই চোখে পড়ে অন্ধকারের মাঝে লাল আলো, সিনেমার মতো সাজসজ্জা—যা রোগীদের মানসিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। তাকজুড়ে রাখা তন্ত্রমন্ত্রের বই নাকি কায়সার নিজেই পড়তে পারেন না; রোগীদের সামনে জ্ঞানের ভান দেখানোই নাকি উদ্দেশ্য।

স্থানীয়দের অভিযোগ—চিকিৎসার নামে প্রকাশ্য প্রতারণা চলছে এখানে। অশিক্ষিত লোক দিয়ে চিকিৎসা, কুসংস্কারকে পুঁজি করে অর্থ আদায়—এতে মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে। তবুও ভিড় কমছে না কুসংস্কারবিশ্বাসী মানুষের।

সচেতন মহলের দাবি—অনুমোদনবিহীন এ ধরনের আসন দ্রুত তদন্ত করে বন্ধ করা জরুরি। মানুষের সরলতা ও বিশ্বাসকে ব্যবসায় পরিণত করার সুযোগ যেন কেউ না পায়, সেজন্য প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট