কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি:
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বটতলী গ্রামে কুল বরই চাষ করে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কৃষক মুকবুল হোসেন। মাঝারি আকারের আপেলের মতো দেখতে এই কুল বরই খেতে অত্যন্ত মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় স্থানীয় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাটির খুব কাছ থেকেই কুল গাছের ডালপালা চারদিকে ছড়িয়ে আছে এবং গাছে থোকায় থোকায় কুল ধরেছে, যা দেখলেই চোখ জুড়িয়ে যায়।
মুকবুল হোসেন জানান, এলাকার বেশিরভাগ মানুষ প্রবাসে থাকলেও তারও একসময় বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন ছিল। চার বছর ধরে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করেও সফল না হয়ে ইউটিউবে ভিডিও দেখে কুল বরই চাষে আগ্রহী হন।
তিনি বলেন, “প্রথমে এক বিঘা জমিতে কুল চাষ শুরু করি। ভালো ফলন ও লাভ হওয়ায় এবার চার বিঘা জমিতে চাষ করছি। আশা করছি, এবছর প্রায় তিন লাখ টাকা লাভ হবে।”
তিনি আরও জানান, তার বাগানে দুই জাতের কুল চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে আপেল কুল লালচে রঙের, ছোট আপেলের চেয়ে সামান্য ছোট এবং খুবই মিষ্টি। অন্যটি বল সুন্দরী জাতের কুল, যা অতিরিক্ত মিষ্টি হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে বেশি জনপ্রিয়।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহুয়া শারমিন মুনমুন বলেন, “বটতলী গ্রামে কুল বরই চাষ করে মুকবুল হোসেন এলাকায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছেন। বিশেষ করে বল সুন্দরী কুলের ফলন দেখে সবাই মুগ্ধ।”
তিনি আরও বলেন, “বেকার ও শিক্ষিত যুবকরা যদি এ ধরনের লাভজনক কৃষিতে এগিয়ে আসে, তাহলে একদিকে যেমন বেকারত্ব কমবে, অন্যদিকে আর্থিক স্বচ্ছলতাও বাড়বে।